bangla music

bangla music

জাতীয়

মেয়েকে সর্বনাশের চেষ্টা, বিচার চাইতেও ভয় পাচ্ছেন ভ্যানচালক বাবা

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধ`র্ষ`ণ চে`ষ্টার অ`ভিযোগ উঠেছে রফিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক দুই স`ন্তানের পিতার বি`রুদ্ধে। কিন্তু এই বিষয়ে বিচার চাইতেও সাহস পাচ্ছেন না সেই স্কুল ছাত্রীর ভ্যানচালক পিতা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দুপুরে বাড়িতে একা পেয়ে স্কুলছাত্রীকে ধ`র্ষ`ণের চেষ্টা করে রফিকুল।

স্কু`লছাত্রী চিৎকার দিলে প্র`তিবেশীরা এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় সে। এই ঘটনাটি উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াডাঙ্গী গ্রামে ঘটে। রফিকুল ওই গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।এ ঘটনার পর স্কুলছাত্রীর বাবা আইনি সহায়তা পেতে ৯৯৯ ফোন করলে পু`লিশ থানায় আ`সতে বলে স্কুলছাত্রীর বা`বাকে। এরপর পু`লিশকে মৌ`খিকভাবে অ`ভিযোগ দিলেও আর মা`মলা করতে পারেননি অসহায় পিতা। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় প্রভাবশালীদের চাপে মীমাংসায় বসেন স্কুলছাত্রীর বাবা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কোনো প্রকার বিনিময় ছাড়াই পরবর্তীতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার অঙ্গীকার করে মীমাংসা শেষ করার চাপ দেন রফিকুলের লোকজন। এতে কিছুটা ভয় পেয়ে সব মেনে নিয়ে মীমাংসা শেষ করে চলে যান মেয়ের বাবা। কিন্তু এরপর থেকে আবারও সেই স্কুল ছাত্রীকে বিরক্ত করতে থাকে রফিকুল।বিষয়টি জানার পর মেয়ের বাবার কাছে ঘটনা জানতে চাইলে তিনি ধ`র্ষ`ণ`চেষ্টার সম্পূর্ণ ঘ`টনা খুলে বলেন। তুলে ধরেন নিজের অ`সহায়ত্বের কথা।

পু`লিশে অ`ভিযোগ করার পরামর্শ দিতেই তিনি হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন। তিনি বলেন, ‘বাবা গরীবের কি বিচার চাওয়ার কোনো অধিকার আছে? এটা নিয়ে প্রতিবাদ করলে আমাদের আরও ক্ষতি করবে। আমার তিনটা মেয়ে। ওদের (রফিকুলদের) সাথে লাগলে অন্য মেয়েদেরও ক্ষতির হু`মকি দিছে।’মীমাংসার দিন উপস্থিত থাকা স্থানীয় ইউপি সদস্য রজব আলী বিডি২৪লাইভকে জানান, স্কুলছাত্রী ও তার বাবার মুখে ঘট`নাটি শোনার পর এলাকায় গিয়েছিলাম।

অনেকের সামনেই রফিকুল অপরাধ স্বীকার করেছে। তবে স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় স্কুলছাত্রীর বাবা ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছেন। দোষী রফিকুল হলেও পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে স্কুলছাত্রীর বাবাকে। তাই আমরাও তেমন কিছু করতে পারছি না। বালিয়াডাঙ্গী থানার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুস সবুর বিডি২৪লাইভকে জানান, স্কুলছাত্রী ও তার বাবার সাথে পুলিশ কথা বলেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।