bangla music

bangla music

জাতীয়

নতুন অটোরিকশার চার্জার কেড়ে নিল বাবা-ছেলের প্রাণ

টাঙ্গাইলের সদরে বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে বাবা ছেলে নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের গোসাই-জোয়াইর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ।নিহতরা হলেন ওই গ্রামের মৃত মাইন উদ্দিনের ছেলে আইনউদ্দিন (৬৫) ও তার ছেলে

আনোয়ার হোসেন (৩৩)। আইনউদ্দিন কৃষি কাজ করতেন ও আনোয়ার ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাতেন।ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ জানান, আনোয়ার হোসেন গতকাল নতুন একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা কিনেন। রাতে তার বাড়িতেই চার্জ দিয়ে রাখেন। ভোরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার্জার খুলতে গেলে আনোয়ার হোসেন বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে পড়েন।

এ সময় তার আর্তচিৎকার শুনে বাবা আইনউদ্দিন গিয়ে তাকে স্পর্শ করলে তিনিও বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় আনোয়ার হোসেনের মা গিয়ে বিদ্যুতের মেইন লাইন বন্ধ করে দেন। পরে তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন=দেশের তৃতীয়তম বৃহৎ আলু উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট। এ জেলায় এবার আলু চাষ করতে গিয়ে সার সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার না পাওয়ায় বেশি দামে সার কিনে আলু চাষ করতে হচ্ছে তাদের। তবে বেশি দামে সার কিনে আলু চাষ করে ফলন ও দাম ভালো না পেলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বলেও জানান তারা।এবার সরকার নির্ধারণ করে দেয় টিএসপি সার। প্রতি বস্তা ১১শ টাকা, এমওপি ৭শ ৫০ টাকা, ডিএপি ৮শ টাকা ও ইউরিয়া সার ৮শ টাকা করে বেধে দেওয়া হয়, কিন্তু জেলায় অন্য সারগুলো পেলেও টিএসপি সার এবার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তাদের।

সদর উপজেলার তুলাট গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, তিনি তার চার বিঘা জমিতে আলু চাষ করবেন, সে কারণে সার কিনতে গিয়ে অন্য সারগুলো ঠিক দামে পেলেও টিএসপি সরকার নির্ধারিত মূল্যে পাননি।তিনি আরও জানান, এবার সার নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলেন, আজ নেই কদিন পরে এসো। কয়েকদিন ঘোরার পর সেই সার কোনোমতে নিয়ে এসে জমিতে আলু লাগাচ্ছি।পাঠানপাড়া গ্রামের কৃষক আখতার হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন

প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, সরকার নির্ধারিত টিএসপি ১১শ টাকা বিক্রি করার কথা থাকলেও সেটি তাদের কাছ থেকে ১৪শ ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এমওপি নেওয়ার কথা ৭শ ৫০ টাকা করে সেখানে নেওয়া হচ্ছে ৮শ টাকা, ডিএপি ৮শ নেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে নেওয়া হচ্ছে ৯শ টাকা করে। অন্যদিকে শুধু ইউরিয়া সারের দাম ৮শ সেটি ৮শ করেই নেওয়া হচ্ছে।তারা জানান, এভাবে ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে, কিন্তু কৃষি বিভাগের কোনো তদারকি নেই। তারা আক্ষেপ করে বলেন, এই কৃষকদের দিকে কারোর নজর পড়ে না। আমরা এত কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করি অথচ আমাদের দিকে কেউ তাকায় না।