bangla music

bangla music

জাতীয়

নির্বাচনে প্রার্থী পরাজিত : কৃষক লীগ নেতার হাতে চুড়ি পরিয়ে দিলেন আ’লীগ নেতা

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িতে গিয়ে জোর করে চুড়ি পরিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।গত ২০ নভেম্বর (শনিবার) ইউপি নির্বাচনে কচুয়া সদর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী প্রার্থী সেলিনা বেগম হেরে যাওয়ার পর সোমবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে তার কর্মী-সমর্থক গিমটাকাঠি গ্রামের মো: মোশারেফ শেখের বাড়িতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটান।মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন মোশারেফ শেখ। এসময় তিনি ঘটনার সাথে জড়িতদের

বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।লিখিত বক্তব্যে মোশারেফ শেখ বলেন, তিনি কচুয়া সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি। গত ২০ নভেম্বর কচুয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে তিনি ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের প্রার্থী ও সাবেক সদস্য সেলিনা

বেগমের কর্মী-সমর্থক হিসেবে কাজ করেছেন। কিন্তু সেলিনা বেগম নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর বিজয়ী প্রার্থী মোহিনি বেগমের পক্ষে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক বালি শোকরানা রব্বানি আজাদ ওরফে আজাদ বালি ও তার সমর্থরা মোশারেফকে হুমকি-ধামকি অব্যাহত রাখে।এক পর্যায়ে সোমবার (২২

নভেম্বর) বিকেলে আজাদ বালি, ইকতিয়ার হোসেন, শহিদুল শেখসহ ১৫/২০ জন লোক তার বাড়িতে গিয়ে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে তার স্ত্রী ও পুত্রবধূসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ এলাকাবাসীর সামনে জোর করে আজাদ বালির উপস্থিতিতে ইকতিয়ার হোসেন তার হাতে চুড়ি পরিয়ে দেন।

এরপর ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর গ্রামের লোকজন ‘চুড়িপরা’ লোক হিসেবে মোশারফকে দেখতে তার বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকে।লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো উল্লেখ করেন, শুধু তাকে অপমান করা নয়। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) আজাদ বালি ও তার লোকজন গ্রামের সাহাপাড়া এলাকার খোকন সাহা, পলাশী রানী সাহা ও সুশান্তকে

মারধর করে। তাদের অপরাধও একই। তারাও ছিল পরাজিত প্রার্থী সেলিনা বেগমের সমর্থক।এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বালি শোকরানা রব্বানি আজাদ বলেন, এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা আমার নির্দেশে ঘটেনি। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই নাটক সাজানো হয়েছে।