bangla music

bangla music

বিনোদন

আরিফিন শুভর সিনেমা দেখে যা বললেন স্ত্রী অর্পিতা

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) মুক্তি পেয়েছে শুভ অভিনীত নতুন সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’। এর আগে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো। সেখানেই দেখা গেল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর স্ত্রী অর্পিতাকে। স্বামীর বহুল আলোচিত সিনেমাটি দেখার জন্য তিনি উপস্থিত হন স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা শাখায়। সিনেমা দেখার পর গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেছেন অর্পিতা।

জানিয়েছেন তার অভিমত। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে ভালো লেগেছে। সিনেমার কলাকুশলীরা দুর্দান্ত কাজ করেছেন। সবাই খুব ভালো অভিনয় করেছেন। শুভর অভিনয়ও ভালো লেগেছে।’উল্লেখ্য, অর্পিতা সমাদ্দার কলকাতার মেয়ে। প্রেমের পর দুই পরিবারের সম্মতিতেই তারা বিয়ে করেন। বর্তমানে অর্পিতা বাংলাদেশেই থাকেন। ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।

আরও পড়ুনঃভারতীয় তারকা সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী নুসরাত জাহান রুহির ব্যক্তিগত জীবনে বিভিন্ন বিতর্ক থাকলেও, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে অবিচল থেকেছেন তিনি। নানা রকম বিতর্ক এড়িয়ে একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসাবে তিন মাসের ছেলেকে ঘরে রেখেই সংসদে আওয়াজ তুলতে হাজির হন তিনি।

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের শুরুর দিন থেকেই দ্বায়িত্ব পালনে ব্যস্ত নুসরাত। নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই ভারতে বেশ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এই তারকা। এদিন লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো কেন বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে, সে বিষয় নিয়ে মোদি সরকারকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন নুসরাত।

তৃণমূল শুরু থেকেই কেন্দ্রের এসব পদক্ষেপে বিরোধিতা করে আসছে। আর দলের হয়েই এদিন বক্তব্য লড়েছেন নুসরাত। কোল ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া, সেল-এর মতো একাধিক লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র, সেই মতো পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও রাষ্ট্রায়ত্ত কিছু সংস্থা বেসরকারিকরণ করা হবে বলেও পাওয়া যাচ্ছে ইঙ্গিত।

আমজনতার আর্থিক উন্নয়নের স্বার্থে তৈরি সংস্থাগুলোর দায়িত্ব কেন ছেড়ে দিতে চায় কেন্দ্র? এই সিদ্ধান্ত দেশের আর্থিক পরিস্থিতি জন্য লাভজনক নয়, এমনটাই বারবার বলে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই একই কথা শোনা গেছে নুসরাতের মুখে।সংসদে নুসরাত বলেন, লাভজনক সংস্থাগুলোর ওপরে সরকারের এই কোপ কেন? বেসরকারিকরণ যদি করতেই হয় তাহলে আর্থিক ক্ষতির শিকার যেসব সংস্থা, সেগুলোকে কেন বেছে নেওয়া হচ্ছে না? এভাবে তো সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মীরাও অনিশ্চিত ভবিৎষ্যতের মুখে পড়ছে।