bangla music

bangla music

জাতীয়

‘ফেন্সিডিল খেয়ে টাকা না দেওয়ায় বেঁধে রাখা হয়েছিল মুরাদকে’

সম্প্রতি নানা বিতর্কিত মন্তব্য ও অডিও ফাঁসের পর ডা. মুরাদ হাসান উঠে আসেন ব্যাপক আলোচনায়। তবে আওয়ামী লীগের প্রতিমন্ত্রী হলেও এক সময় ডা. মুরাদ ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এমনকি তিনি মাদকে আসক্ত ছিলেন বলেও জানা যায়। ময়মনসিংহের বিএনপি নেতৃবৃন্দ জানান, এক সময় মুরাদ ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালে তিনি যোগ দেন ছাত্রলীগে।

তৎকালীন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রলের সভাপতি সাঈদ মেহেবুব উল কাদির জানান, এক সময় সে আমাদের সাথে মিছিল-মিটিং করেছে। সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নেওয়ার পরে সে কলেজ শাখার কমিটিতে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করে। তখন তারা আগ্রহ দেখে তাকে আমরা প্রচার সম্পাদক বানাই।

ডাক্তার মুরাদের সেই কমিটির অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোতাহার হোসেন তালুকদার। তিনি মুরাদকে বরাবরই সুবিধাবাদী উল্লেখ করেন জানান, সে একজন পল্টিবাজ নেতা। এজন্য সে ছাত্রদল থেকে ছাত্রলীগে চলে যায়।

তৎকালীন ছাত্রদলের নেতা ও ময়মনসিংহ মহনগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ জানান, ময়মনসিংহের বাঘমারা এলাকায় কলেজের হোস্টেল ছিল। সেখানে তাকে অনেকবার মদ্যপ অবস্থায় অনেক পড়ে থাকতে দেখেছেন। উনি নিয়মিত ফেন্সিডিল সেবন করেন। এটা ওই এলাকার কারও অজানা না। যেখান থেকে তিনি

ফেন্সিডিল নিতেন সেখানে তাকে হাত-পা গাছের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছিল টাকা দেয়নি বলেন । ডা. মুরাদের বাবা মতিউর রহমান তালুকদার ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। কথিত আছে ছেলে ছাত্রদলের রাজনীতি করেন বলে অনেক আক্ষেপ ছিল তার।